ফেনী    ৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ        রাত ১১:৩৩
বুদ্ধিজীবীরাই হচ্ছেন ‘বিপ্লব’ এর প্রাণ: মোহাম্মদ হাসান-সত্যের সন্ধানে নিউজ
তারিখ - ডিসেম্বর ১৪, ২০২০ জাতীয়
এডিটর - সুমন পাটোয়ারী

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনার সাথে একসাথেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পাকিস্তানি সেনারা অপারেশন চলাকালীন সময়ে খুঁজে-খুঁজে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করতে থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষককে ২৫শে মার্চের রাতেই হত্যা করা হয়। তবে, পরিকল্পিত হত্যার ব্যাপক অংশটি ঘটে যুদ্ধ শেষ হবার মাত্র কয়েকদিন আগে। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের প্রশিক্ষিত আধা-সামরিক বাহিনী আল-বদর এবং আল-শামস বাহিনী একটি তালিকা তৈরি করে, যেখানে এই সব স্বাধীনতাকামী বুদ্ধিজীবীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ধারণা করা হয় পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে এ কাজের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলি। জাতিকে মেধাশুন্য করে দেয়ার ঘৃণিত পরিকল্পনার অংশ ১৯৭১ এর১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যা! এডওয়ার্ড ডব্লিউ সাইদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে এক আলোচনায় বলেছিলেন, বুদ্ধিজীবী ছাড়া যেমন বড় ধরনের কোন বিপ্লব সংঘটিত হয় নি, তেমনি তাদের ছাড়া কোন বিপ্লববিরোধী আন্দোলনও সংঘটিত হয় নি। এক কথায়, তারাই হচ্ছেন ‘বিপ্লব’ এর প্রাণ। অন্যভাবে বলা যায়, শাসকগোষ্ঠীর টিকে থাকার জন্যে যেমন একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী প্রয়োজন, তেমনি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যেও আরেক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীদেরকে শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে পড়তে হয়। এ কারণেই দেখা যায় যে, গত শতাব্দীর শুরুতেই আর্মেনিয়ায় গণহত্যা শুরু হয়েছিল ২৫০ জন বুদ্ধিজীবীকে গ্রেফতার ও হত্যার মাধ্যমে। হিটলার ও তার নাৎসি বাহিনীও পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদেরকে হত্যা করেছিল। এই দিক দিয়ে বিবেচনা করলে ১৯৭১-এ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের ঘটনা মোটেই নতুন কিছু নয়, বরং প্রকৃতিগত দিক হতে পূর্বের গণহত্যাগুলোর সাথে এটা সাদৃশ্যপূর্ণই বটে। ‘৭১ এর ২৫ শে মার্চের রাত থেকেই শুরু হয় মূলত বুদ্ধিজীবী নিধনযজ্ঞ এবং ১৪ ডিসেম্বর সেটার চূড়ান্ত রূপ প্রকাশ পায়। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সঠিক সংখ্যা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি, তবে বাংলাপিডিয়ার সূত্রমতে, এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন। ১৯৪৭ থেকে ৭১ – এ সময়ের মধ্যে বাঙালিরা বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের গণ্ডি থেকে বের হয়ে ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদে’ প্রবেশ করে। এবং, বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের দ্বারা এই জাতীয়তাবোধের যে উন্মেষ ঘটেছিল, পরবর্তীতে সেটার অগ্রগতিতে মূল অবদান ছিল তৎকালীন বুদ্ধিজীবীদেরই। আইয়ুব খানের সামরিক শাসন আমলে প্রথমে আঘাত আসে সংবাদপত্রের ওপর, শাসকচক্রের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিকরা দমন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, জেলে গিয়েছেন। সামরিক শাসনবিরোধী সাংবাদিকদের বিদেশ গমনেও বাধা দেয়া হয়। তবু ‘ইত্তেফাক’ কিংবা ‘সংবাদ’ ক্ষমতাসীনদের কাছে খুব একটা নতি স্বীকার করেনি। তৎকালীন সামরিক শাসক চক্র বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির ওপর সর্বাধিক নোংরা আক্রমণ চালায়; পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান – এই দুই অঞ্চলের সংহতি বৃদ্ধির অজুহাতে রোমান হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব করা হয়। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ তখন এই ভাষা সংস্কারের তীব্র প্রতিবাদ জানান। রবীন্দ্রনাথ ও তাঁর সাহিত্যের ওপর আসে সাম্প্রদায়িক আক্রমণ; তাঁকে চিহ্নিত করা হয় হিন্দু কবি এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে। এই ‘হিন্দুয়ানী’র অভিযোগ তুলে নজরুলের কবিতা থেকেও ‘হিন্দুয়ানী’ শব্দ বাদ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। ‘সজীব করিব মহাশশ্মান’ এর স্থলে লেখা হলো “সজীব করিব গোরস্থান”। ছাত্রীদের কপালে টিপ দেয়ার ওপর বিধিনিষেধ জারী করা হয়, কেউ টিপ দিয়ে গেলে তাকে কর্তৃপক্ষের হাতে হেনস্থা হতে হত। ১৯৬১ সালে রবীন্দ্রনাথের জন্মশতবার্ষিকীতে সামরিক সরকার আকারে ইঙ্গিতে প্রকাশ করে যে, রবীন্দ্রনাথ আসলে পাকিস্তান আদর্শ বিরোধী। প্রতিবাদস্বরূপ এগিয়ে আসেন বুদ্ধিজীবীরা। বিভিন্ন জায়গায় রবীন্দ্রজয়ন্তী কমিটি গঠন করে অনুষ্ঠান আয়োজন করা শুরু হয়। মেয়েরা কপালে টিপ দেয়া শুরু করেন। রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সনজিদা খাতুন, ওয়াহিদুন হকের উদ্যোগে গঠিত হয় ‘ছায়ানট’। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বুদ্ধিজীবী মহলের এমন সাহসী প্রতিবাদ জাতীয়তাবাদী চিন্তার বিকাশে সাহায্য করেছিল তুমুল ভাবে। একই সুরে গবেষক বদরুদ্দীন উমর মন্তব্য করেছিলেন, ‘পাকিস্তান আমলে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সালের গোঁড়া পর্যন্ত এদেশের বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে সুবিধাবাদী লোক থাকলেও তাদের একটা উল্লেখযোগ্য অংশের মধ্যে শোষণ নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের অভাব ছিল না। সেটা না হলে সেই পর্যায়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন অগ্রসর হতো না এবং স্বাধীনতা আন্দোলন দানা বাঁধতো না’। ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। জাতির জন্য কলঙ্কময় দিন। যতদিন পৃথিবী থাকবে এই দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মসমর্পণ করতে শুরু করেছিল এবং পাকিস্তানিরা যখন বুঝতে পারলো মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরাজয় সময়ের ব্যাপার মাত্র, তখনই এদেশের পাকিস্তানি দোসর, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অর্থাৎ বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন বুঝতে পারলো মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত তখনই বাঙালি জাতি যাতে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সেই চিন্তা ধারায় বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়। কলকাতায় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের এক মুখপাত্র বলেন তাদের কাছে খবর এসেছে যে বুদ্ধিজীবী হত্যায় একজন শীর্ষ পাক জেনারেল সহ ১০ সেনা কর্মকর্তা জড়িত। এ পর্যন্ত ৩৬০ জন বুদ্ধিজীবী হত্যার খবর তাদের কাছে পৌঁছেছে। আরও হত্যার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু কতক অফিসারের বুদ্ধিমত্তায় তারা রক্ষা পেয়েছে। পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে থাকার সময় বুদ্ধিজীবীদের সভা করার নামে ডেকে নেয়া হত কিন্তু সে সকল সভায় তেমন কেউ অংশ নেয়নি বিধায় অনেকে রক্ষা পেয়েছে। জামাতে ইসলামীর কিলিং স্কোয়াড আল বদর, আল শামস এর মাধ্যমে জেনারেল রাও ফরমান আলী এ সকল হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। ব্রিটিশ এমপি জন স্টোন হাউজ বলেছেন দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে ইহুদী বুদ্ধিজীবী হত্যার পর বাংলাদেশে এ ধরনের ২য় ঘটনা ঘটল। ১৪ তারিখের গভর্নর হাউজের সভায় অনেক শীর্ষ কর্মকর্তাদের আমন্ত্রন জানানো হয়েছিল। চট্টগ্রামেও অনুরুপ এক সভা ডাকা হয়েছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লায় সভা করার নামে অনেককে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী ওই সকল রাজাকারদের বাঙালি জাতি কোনোদিন ক্ষমা করবে না বা করতে পারে না। লেখকঃ মোহাম্মদ হাসান, সাংবাদিক ও কলামিস্ট। তথ্যসূত্রঃ সংগ্রামের নোটবুক ও সংগৃহীত।

Материалы по теме:

দাগনভূঞায় অপহরণ করে মুক্তিপন আদায়, অতঃপর প্রান নাশের হুমকি,থানায় অভিযোগ দায়ের।
শাখাওয়াত হোসেন টিপু, দাগনভূঞা :ফেনীর - দাগনভূঞায় ৫ নং এয়াকুবপুর ইউনিয়নে ৩ নং ওয়ার্ডে একরামুল হক নামে এক ব্যাক্তিকে অপহরণ করে টাকা আদায় করা ...
মুসলমানদের অধিকার সুরক্ষায় সোচ্চার জর্ডান।সত্যের সন্ধানে নিউজ
জামিল করিম,সিলেট প্রতিনিধিঃ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিন সংকটের সমাধানের তাগিদ দিয়েছে জর্ডান। শনিবার দেশটির রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ বলেছেন, ফিলিস্তিন ইস্যুর সমাধান ছাড়া শান্তি ও নিরাপত্তা ...
বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত সময়সূচি।
ফাহিম আবরার:-বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের জন্য চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী ২৪ নভেম্বর বেক্সিমকো ঢাকা বনাম মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর মধ্যকার ম্যাচ ...
এখন জনগণের সরকার ক্ষমতায় কারও শঙ্কা বা ভয়ের কোন কারণ নেই: শিক্ষা উপমন্ত্রী।
মোহাম্মদ হাসানঃ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, এদেশে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া আমরা সহ্য করবো না। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মানুষকে ...
ভিটামিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় যে তিনটি ভিটামিন সেগুলি হল
সি, ডি এবং এ, যেগুলো সম্বন্ধে আমাদের অনেক কিছুই জানা। তবে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হল ভিটামিন বি, যেটা তেমন কদর পায় না। এই ...
আপনার মন্তব্য লিখুন
  •   এস.এম কিবরিয়াকে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব থেকে অব্যাহতি প্রদান
  •   সোনাগাজীর মতিগঞ্জ ইউনিয়নে শিক্ষা সামগ্রী, ক্রীড়া সামগ্রী ও কীটনাশক ছিটানোর স্প্রে মেশিন বিতরন
  •   ছাগলনাইয়ায় পালক পিতার বিরুদ্ধে মেয়ের যৌন নির্যাতনের মামলা।
  •   কল দিলে পৌঁছে যাবে ফেনীতে করোণা আক্রান্ত রোগীর জন্য ফ্রী অক্সিজেন সেবা
  •   মৌলভীবাজারে পাহাড় ও বনজঙ্গল ঘেরা সাপের রাজ্যে বিষের চিকিৎসা কতদূর
  •   ফেনীর দাগনভূঞায় রিপোটার্স ইউনিটির আয়োজনে দেড় হাজার লোকের মাঝে স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরন।
  •   র‍্যাব হেফাজতে হেলেনা জাহাঙ্গীর, জব্দ করা হয়েছে বিদেশি মদ ও হরিণের চামড়া
  •   কমলগঞ্জে”স্ত্রীর পরকীয়ায়” জীবন গেল স্বামীর।
  •   ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
  •   মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর শাখা কমিটি ঘোষণা
  •   কুলাউড়ায় ডাকাত আটক,৬রাউন্ড গুলিসহ দেশীয় পাইপগান উদ্ধার।
  •   কমলগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যার পর বাড়ির উঠানে “একমাস ছয়দিন” লাশ পুঁতে রাখে সুবাস।
  •   সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন দোহারের এসিল্যান্ড জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র
  •   রক্তদানে বিশেষ অবধান রাখায় পরশুরাম কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সম্মাননা পেলেন যোটন
  •   দৈনিক ভোরের কাগজের সাংবাদিক মোস্তফা পাঠোয়ারী শ্বাসকষ্টে ইন্তেকাল করেছে
  •   সুবর্ণচরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার,থানায় জিডি!
  •   সেনবাগে বিএনপি’র অক্সিজেন ব্যাংকে ১০টি সিলিন্ডার প্রদান করলেন- সৌদি আরব বিএনপি’র নেতা মান্নান।
  •   ফেনীর ছাগলনাইয়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২ ।
  •   সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মবার্ষিকী সোনাগাজীতে যুবলীগের বৃক্ষরোপন ও দোয়া মাহফিল
  •   দোহারে সরকার ঘোষিত কঠোর লক ডাউন বাস্তবায়নে মাঠে উপজেলা প্রশাসন











  • উপদেষ্টা : দিদারুল কবির রতন
    পৃষ্টপোষক : জসিম উদ্দিন লিটন
    ব্যবস্থাপনা পরিচালক : ফারুক আহমেদ সুমন
    সহ ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: শাহ আলম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুমন পাটোয়ারী
    অফিস : লিটন ব্রাদার্স ফাজিলের ঘাট-রোড দাগনভূঞা, ফেনী
    ফোন: 01816284600


    জসিম উদ্দিন লিটন
    সম্পাদক ও প্রকাশক

    সুমন পাটোয়ারী
    নির্বাহী সম্পাদক ও এডিটর


    বি:দ্রি:-উক্ত অনলাইন পোর্টালটির সকল পেপার্সের কার্যাদি প্রক্রিয়াধীন আছে।
    © 2021. sottersondhanenews.com All Right Reserved.
    Developed By   AS Shuvo
    উপরে যান