আজ স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস – সত্যের সন্ধানে
  ফেনী    ২৫শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ        সকাল ৯:৪৯
  •   মেনু নির্বাচন করুন
  •   বাংলাদেশ
  •   রাজনীতি
  •   বাণিজ্য
  •   আন্তর্জাতিক
  •   খেলা
  •   বিনোদন
  •   লাইফস্টাইল
  •   জীবনযাপন
  •   ফিচার ক্রোড়পত্র
  •   শিক্ষা
  •   ধর্ম
  •   ছবি
  •   ভিডিও
  •   চাকরি
  •   মতামত
  •   করোনাভাইরাস
  •   ই পেপার
  •   জাতীয়
  •   রাজনীতি
  •   অর্থনীতি
  •   জেলার সংবাদ
  •   অপরাধ
  •   রাজধানী
  •   আমেরিকা
  •   ভারত
  •   পাকিস্তান
  •   এশিয়া
  •   ইউরোপ
  •   আরব
  •   অন্যান্য
  •   ক্রিকেট
  •   ফুটবল
  •   অন্যান্য খেলা
  •   সংস্কৃতি
  •   অন্যান্য
  •   সাক্ষাৎকার
  •   সম্পাদকীয়
  •   বিতর্ক
  •   সমাজ
  •   বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  •   দর্ষণ
  •   কৃষি
  •   নির্বাচন
  •   জাতীয়
  •   জেলা সংবাদ
  •   দুর্ঘটনা
  •   রূপগঞ্জে
  •   সন্ধান চেয়ে
  •   ঠাকুরগাঁওয়ে
  •   ফুলগাজী
  •   নারায়ণগঞ্জ
  •   ভারতে পাচার
  •   পাটগ্রাম বুড়িমারী লালমনিরহাট
  •   উঠান বৈঠক
  •   সেনবাগ
  •   ইউনিয়ন অব হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন
  •   ফেণী
  •   নোয়াখলী
  •   COVID-19
  •   হত্যা
  •   জয়নাল আবেদিন হাজারী
  • আজ স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস-সত্যের সন্ধানে নিউজ
    তারিখ - ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১ জাতীয়
    sumon patwary

    মোহাম্মদ হাসানঃ আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারি দিনটি বিশ্বে ভ্যালেন্টাইন’স ডে হিসাবেই বেশি পরিচিত। বাংলাদেশেও ভালোবাসার দিবস হিসাবে দিনটি পালন করা হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে অনেকেই এই দিনটিকে পালন করেন স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসাবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে এই দিবসটিকে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসাবে বর্ণনা করছেন। তেমনই একজন উদিসি ইসলামের বর্ণনায়, ‘১৪ ফেব্রুয়ারি আমরা শুধু জয়নালের লাশ পাই। দিপালী সাহার লাশ গুম করে ফেলে। তার লাশ আমরা পাইনি। ১৫ ফেব্রুয়ারি কাঞ্চন চট্টগ্রাম শহরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। আরো অনেকে নিখোঁজ হন। তাদের জীবিত বা মৃত কোনও অবস্থায়ই পাওয়া যায়নি। ভালোবাসা দিবসে এ রকম একটা হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল,তা এ প্রজন্মকে স্মরণ করাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। এ দায় স্বীকার করে নিতে আমার আপত্তি নেই। ইতিহাসে অনেক ঘটনা আছে,পরবর্তী প্রজন্ম ভুলে গেলেও তারও পরবর্তী প্রজন্ম আবার খুঁজে বের করে। ইতিহাস হারায় না,তাকে হারিয়ে ফেলার পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়।’ কথাগুলো বলছিলেন এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী ছাত্রনেতা ডা. মুশতাক হোসেন।তিনিসহ ছাত্রসংগঠনের নেতারা মনে করেন,স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসকে নিয়ে যে ডক্যুমেন্টেশন হওয়া দরকার ছিল, এই দায়িত্ব সে সময়ের নেতারা,বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি স্বৈরাচার আন্দোলন থেকে ক্ষমতায় আসা দলগুলোও নেয়নি। আর এরই ধারাবাহিকতায় একধরনের অসাড়তার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে প্রজন্মকে এবং এখন ভালবাসা দিবস স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসের গুরুত্বকে ছাপিয়ে যেতে পেরেছে। ১৯৮২ সালের ২৪ শে মার্চ লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এক সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখলের পরপরই তাকে ছাত্রদের প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছে। একইসাথে শুরু হয় ধরপাকড়। প্রথমদিনেই কলাভবনে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে পোস্টার লাগাতে গিয়ে গ্রেফতার ও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন ছাত্রনেতা শিবলি কাইয়ুম,হাবিবুর রহমান ও আব্দুল আলী। সে সময়ের আন্দোলন গড়ে তোলা নেতাকর্মীরা বলছেন,স্বৈরাচার প্রথম আঘাতেই টের পায় এ লড়াই তার জন্য ঠিক হবে না। সে সময় সামরিক সরকারের শিক্ষামন্ত্রী মজিদ খান ক্ষমতায় এসেই নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন খর্ব ও রেজাল্ট খারাপ হলেও যারা ৫০% শিক্ষার ব্যয়ভার দিতে সমর্থ, তাদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয় এতে। এই নীতিতে দরিদ্ররা উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে পারে বলে ছাত্ররা এর প্রবল বিরোধিতা করে। ১৯৮২ সালের ১৭ ই সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবসে এই শিক্ষানীতি বাতিলের দাবিতে ছাত্র সংগঠনগুলো ঐকমত্যে পৌঁছে। এরই ধারাবহিকতায় ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারির জন্ম। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতি প্রত্যাহার, বন্দি মুক্তি ও গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবি ও গণমুখী, বৈজ্ঞানিক ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষানীতির দাবিতে ছাত্র জমায়েত ডাকে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ মিছিলটি হাইকোর্টের গেটের সামনে ব্যারিকেডের সামনে বসে পড়ে এবং ছাত্রনেতারা তারের ওপর উঠে বক্তৃতা শুরু করে। এসময় পুলিশ বিনা উস্কানিতে তারের একপাশ সরিয়ে রায়ট কার ঢুকিয়ে দিয়ে রঙ্গিন গরম পানি ছিটাতে থাকে, বেধড়ক লাঠিচার্জ, ইট-পাটকেল ও বেপরোয়া গুলি ছুড়তে শুরু করে। গুলিবিদ্ধ হয় জয়নাল। এরপর গুলিবিদ্ধ জয়নালকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা হয়। এসময় দিপালীও গুলিবিদ্ধ হন এবং পুলিশ তার লাশ গুম করে ফেলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিহত ও আহতদের এ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়ে নিয়ে আসতে চাইলে ঘটনাস্থলে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ বাহিনী। কিছু না ঘটা সত্ত্বেও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে, এমন অপপ্রচার চালিয়ে সামরিক সরকার উস্কে দেয় পুলিশকে। ঐদিন নিহত হয়েছিল জয়নাল, জাফর, কাঞ্চন, দীপালীসহ অর্ধশতাধিক । সরকারী মতেই গ্রেফতার করা হয় ১,৩৩১ জন ছাত্র-জনতাকে, বাস্তবে এই সংখ্যা আরো বেশি ছিল। খোঁজ মেলেনি অনেকেরই। এই ঘটনার জোয়ার লাগে চট্টগ্রাম শহরেও। মেডিক্যাল ও অন্যান্য কলেজের শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশ লাঠি চার্জ ও গুলি চালালে নিহত হয় কাঞ্চন। ছাত্রদের তিনটি মৌলিক দাবিতে ১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষানীতি স্থগিত হয়ে যায়। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির পর এটাই ছিল ইতিহাসে লিখে রাখার মতো ছাত্রবিক্ষোভের এবং নিপীড়নের ঘটনা। তা সত্তেও ইতিহাসের পাতা থেকে হারাতে বসা এই দিবসটি নিয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও একসময়ের ছাত্রনেতা কাবেরী গায়েন বলেন,১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে যখন এই নৃশংস ঘটনা ঘটে, আমি তখন স্কুলে পড়ি। কিন্তু আমার বড় দুই ভাই এবং বড়বোন ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বলে ঘটনাটা আমার জানা। ১৯৮৮ সালের মাঝামাঝি যখনবিশ্ববিদ্যালয়ে যাই তখন জয়নাল, জাফর, কাঞ্চন, দিপালী সাহাদের নামে শ্লোগান শোনা যেতো। তখনও বাম সংগঠনগুলো ক্যাম্পাসে যথেষ্ঠ শক্তিশালী ও প্রভাবশালী ছিল।কিন্তু ততোদিনে অন্য এজেন্ডা ছাত্ররাজনীতিতে স্থান করে নিয়েছে। তিনি বলেন, হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীকে গ্রেফতার করার,মেরে ফেলার,গুম করার এই বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা অবশ্য আমরা ক্যাম্পাসে থাকতে থাকতেই ফিঁকে হয়ে উঠছিলো। বিশেষ করে এরশাদের পতনের পরে যখন গণমাধ্যমের সংখ্যা বাড়লো, কিন্তু দেশের রাজনৈতিক প্রতিরোধ ইতিহাসের ওপর করপোরেট ঔদাসীন্য একুশে ফেব্রুয়ারির পরে ছাত্র-শিক্ষকের এহেনো তাৎপর্যময় বিশাল আন্দোলনকে বিস্মৃতির অতলে ঢেকে দিলো। ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডের অংশ হিসেবে ১৯৮৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি এরশাদ তার সন্ত্রাসিবাহিনী দিয়ে খুব কাছ থেকে গুলি করিয়ে হত্যা করায় রাউফুন বসুনিয়াকে। জাতীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক বসুনিয়া হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ভেতরে। এরপর ঘটেছে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ও গুমের ঘটনা। ১৯৮৭ সালের ১০নভেম্বর নূর হোসেনকে হত্যা করে এরশাদের পুলিশ বাহিনী।আর ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর এরশাদের সন্ত্রাসীবাহিনী গুলি করে হত্যা করে ডা. মিলনকে। অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পতন হয় স্বৈরাচার এরশাদের।

    আপনার মন্তব্য লিখুন
  •   ৪৮ লক্ষ টাকার ত্রাণসামগ্রী নিয়ে বানভাসি সিলেটের পথে বেওয়ারিশ সেবা ফাউন্ডেশন।
  •   রূপগঞ্জের মারহাবা এগ্রোতে
    হাজার কেজির ‘কালা চাঁদ’
  •   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের পদ্মা সেতু উপহার দিয়েছেন; মন্ত্রী গাজী
  •   স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাউরা কমিটির পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন ঘোষণা
  •   রায়গঞ্জে বাংলাদেশ আঃলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
  •   রায়গঞ্জে বাংলাদেশ আঃলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
  •   চিলমারীতে পুকুরের পানিতে ডুবে এক যুবকের মৃত্যু।
  •   লালমনিরহাটে পুলিশ জাদুঘর উদ্বোধন করলেন পুলিশ আইজিপি
  •   আমরা এসেছি আপনাদের জন্য মানবিক উপহার নিয়ে- ফেনীর পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন
  •   বন্যার পানিতে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু
  •   যুবদলের আহবায়ক গোলাম ফারুক খোকনের বাড়ির সামনে যুবলীগের কার্যালয় নির্মাণে উত্তেজনা
  •   রায়গঞ্জে প্রেমের টানে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন এক কলেজ ছাত্রী
  •   ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থায় এবার নতুন এগারো মুখ
  •   রূপগঞ্জে সম্পত্তির লোভে
    সৎমাকে অস্বীকার
    এলাকাজুড়ে তোলপাড়
  •   খাদ্যের জন মানুষ হাহাকার সিলেটের আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে
  •   তাড়াশে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত খোদেজা চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় বহন করছেন এমপি আজিজ
  •   রূপগঞ্জে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং এর উদ্বোধন
  •   রূপগঞ্জে ডাকাতের ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধ খুন
  •   নতুন বাজার গিয়াস উদ্দিন স্মৃতি সংঘ কতৃক জাহাঙ্গীর ফিরোজ কে সংবর্ধনা
  •   ভারী বর্ষণ ও ভারতীয় উজানের পানিতে পরশুরামে মুহুরী নদীর পানি বিপদ সীমার উপরে











  • উপদেষ্টা : দিদারুল কবির রতন
    পৃষ্টপোষক : জসিম উদ্দিন লিটন
    ব্যবস্থাপনা পরিচালক : ফারুক আহমেদ সুমন
    সহ ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: শাহ আলম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুমন পাটোয়ারী
    অফিস : লিটন ব্রাদার্স ফাজিলের ঘাট-রোড দাগনভূঞা, ফেনী
    ফোন: 01816284600


    জসিম উদ্দিন লিটন
    উপদেষ্টা

    সুমন পাটোয়ারী
    সম্পাদক ও প্রকাশক


    বি:দ্রি:-উক্ত অনলাইন পোর্টালটির সকল পেপার্সের কার্যাদি প্রক্রিয়াধীন আছে।
    © 2021. sottersondhanenews.com All Right Reserved.
    Developed By   SoftwareFarm BD
    উপরে যান